তৎকালের টিকিট এবার হবে সহজলভ্য, হয়রানি কমবে যাত্রীদের

20th February 2020 ভারত
তৎকালের টিকিট এবার হবে সহজলভ্য, হয়রানি কমবে যাত্রীদের


বাঙালি মানেই তো পায়ের তলায় সর্ষে। তাই উঠল বাই তো কটক যাই, পিঠে রুকস্যাক নিয়ে আপনি তো তৈরি। কিন্তু টিকিট কাটতে গিয়েই যত্ত ঝামেলা! তৎকালের জন্য লাফিয়ে ঝাঁপিয়েও তো পাননি টিকিট। পাবেন কী করে! তৎকাল মানেই তো দুরন্ত গতিতে নিজের টিকিটটা ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষর থেকে টাকার বিনিময়ে 
শেষ সময়ে আদায় করে নেওয়া। এই শেষ সময়টুকু খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইনে যাঁরা চেষ্টা করতেন, তাঁদের সাধারণত সময় লাগার কথা প্রায় আড়াই মিনিট। কিন্তু আপনার আগেই তো এই ‘ফাঁদ পাতা ভুবনে’ অপকম্মটি করে ফেলছেন কেউ বা কারা। তাও মাত্র দেড় মিনিটে। তবে এবার আর সেই সমস্যা হবে না। বলছে আইআরসিটিসি বা ভারতীয় রেল। বেশ কিছু অবৈধ সফটওয়ার বাজেয়াপ্ত করে ফেলেছেন তাঁরা। এই কাজের সঙ্গে যুক্ত ৬০ জন এজেন্টকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্সের ডিরেক্টর জেনারেল অরুণ কুমার বলছেন, এবার থেকে তৎকাল টিকিট পেতে সমস্যা হবে না যাত্রীদের। 
এ বিষয়ে রেলের কর্মকর্তারা বলেছেন, এএনএমএস, ম্যাক, জাগুয়ার এর মতো সফটওয়ার ব্যবহার করতেন টিকিট চোরেরা। তাই লগ ইন, বুকিং, ওটিপি সহ সমস্ত প্রক্রিয়াটি তারা সহজে করে বাকিদের তুলনায় তাড়াতাড়ি টিকিট কেটে ফেলত। গ্রেপ্তার হওয়া ৬০ জনের মধ্যে কলকাতার এক ব্যক্তি রয়েছে। মনে করা হচ্ছে এর যোগ রয়েছে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদী সংস্থা জামাত–উল–মুজাহিদিন এর সঙ্গে। এখন দেখা যাক এই তৎপরতার পরে তৎকালের টিকিট কতটা সহজে পাওয়া যায়।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck