দুর্গন্ধ যেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের নাকে না যায়, ছাড়া হচ্ছে ৫০০ কিউসেক পরিশুদ্ধ জল

20th February 2020 ভারত
দুর্গন্ধ যেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের নাকে না যায়, ছাড়া হচ্ছে ৫০০ কিউসেক পরিশুদ্ধ জল


মুখে স্বচ্ছ ভারত মিশনের কথা বলা হলেও ভারত যে স্বচ্ছ হয়ে ওঠেনি এবার তার প্রমাণ পাওয়া গেল। আর প্রমাণটা পাওয়া গেল হাতে না হাতেই। উত্তরপ্রদেশের সেচ দপ্তর ৫০০ কিউসেক জল ছেড়েছে। যাতে ভয়াবহ দূষণে বিপর্যস্ত যমুনা নদীর হাল কিছুটা ফেরানো সম্ভব হয়। বুলন্দশহরের গঙ্গানাহার থেকে এই ৫০০ কিউসেক জল যমুনায় ছাড়া হয়েছে। 
এতদিন বাদে কেন এই পদক্ষেপ?‌ জানা গিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরের আগে যমুনায় দূষণের মাত্রা কিছুটা হলেও কমাতে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। যাতে তাঁর নাকে দূষণ থেকে তৈরি হওয়া দুর্গন্ধ না আসে। অথচ এই দুর্গন্ধ এলাকার মানুষের কাছে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। স্বচ্ছ ভারত মিশনের জন্য কেন্দ্র থেকে টাকাও বরাদ্দ হয়েছিল।কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। এবার ২০–২১ তারিখের মধ্যে সেই পরিশুদ্ধ জল যমুনায় পৌঁছে যাবে। আর মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে তুলে ধরা হবে স্বচ্ছ ভারতকে। 
উত্তরপ্রদেশের জলসেচ দপ্তর থেকে কী জানা যাচ্ছে?‌ উত্তরপ্রদেশে জলসেচ দপ্তরের প্রধান ইঞ্জিনিয়ার ধর্মেন্দ্র সিং ফোগট জানান, আগামী ২৪ তারিখ দু’‌দিনের সফরে ভারতে আসছেন ট্রাম্প। দিল্লি ছাড়াও আগ্রা এবং আহমেদাবাদে যাওয়ার কথা আছে তাঁর। আগ্রায় যমুনার দুর্গন্ধ রুখতে এই ৫০০ কিউসেক জল সেখানে ছাড়া হবে। ২০ তারিখ এই জল মথুরায় পৌঁছবে এবং ২১ তারিখ আগ্রা পৌঁছে যাবে। এই অতিরিক্ত জলের ফলে যমুনায় অক্সিজেনের মাত্রা কিছুটা বাড়বে এবং দুর্গন্ধ কমবে। এতে যমুনার জল পানযোগ্য মোটেও হবে না বলে সতর্ক করেছেন উত্তরপ্রদেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্যদের ইঞ্জিনিয়ার অরবিন্দ কুমার।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck