নির্বাচন শেষ, ফলপ্রকাশের এতদিন পরেও দিল্লিতে বিরোধী দলনেতা খুঁজে পাচ্ছেন না মোদি–শাহরা

22nd February 2020 ভারত
নির্বাচন শেষ, ফলপ্রকাশের এতদিন পরেও দিল্লিতে বিরোধী দলনেতা খুঁজে পাচ্ছেন না মোদি–শাহরা


দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন শেষ। ৭০টি আসনের মধ্যে ৬২টি আসনে জিতে ফের ক্ষমতায় এসেছে আপ। অন্যদিকে, আগের বারের তুলনায় কিছুটা উন্নতি হয়েছে বিজেপির। এবার তাঁরা ৮টি আসনে জিতেছেন। অথচ পরিস্থিতি যেন আগের তুলনায় আরও খারাপ। কারণ ফলপ্রকাশের পর বেশ কিছুদিন কেটে গেলেও দিল্লি বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ভূমিকা কে পালন করবেন?‌ তা ঠিক করতে পারছেন না অমিত শাহরা। ঠিক যেভাবে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে প্রার্থী খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না, ঠিক সেভাবেই এবার বিরোধী দলনেতা কে হবেন,‌ তাও ঠিক করতে পারেননি তারা। এমনকি জয়ী বিধায়কদের নিয়ে কোনও বৈঠকও হয়নি।
এর আগে ২০১৫ সালে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমে তিনটি আসন পেয়েছিল বিজেপি। পরে আরও একটি আসনে জয়লাভ করে তারা। সেবার বিরোধী দলনেতা বাছা হয়েছিল বিজেন্দ্র গুপ্তাকে। এবারও তিনি বিরোধী দলনেতা হওয়ার প্রবল দাবিদার। তবে উঠে আসছে অন্য বেশ কয়েকজন বিধায়কের নামও। এখন দেখার শেষপর্যন্ত কে বাজিমাত করেন!‌





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck