দেশজুড়ে অনশনে বসছেন বিএসএনএল কর্মী সংগঠন

24th February 2020 ভারত
দেশজুড়ে অনশনে বসছেন বিএসএনএল কর্মী সংগঠন


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারতে পা রাখার দিনই অনশনের ডাক দিল বিএসএনএলের কর্মী সংগঠন। রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম সংস্থা ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড নিয়ে (বিএসএনএল) কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারের টালবাহানা চলছিলই। তা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে সরব শ্রমিক কর্মচারীরা। সরকারের এই মনোভাবের প্রতিবাদে সোমবার ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে অনশনে বসছেন তাঁরা। সংস্থার কর্মী–সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ অল ইউনিয়নস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশনস অব বিএসএনএল (এইউএবি) এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল বিএসএনএল বাঁচাতে ৬৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে একটি টাকাও আসেনি। তাই এই অনশন বলে খবর।
জানা গিয়েছে, বিএসএনএল ২০১৯ আর্থিক বছরে সংস্থার লোকসানের পরিমাণ ছিল ১৪,০০০ কোটি টাকা। এই পরিস্থিতিতে গত বছর ২৩ অক্টোবর বিএসএনএল এবং এমটিএনএল–এর জন্য ৬৯ হাজার ৭৫১ কোটি টাকার পুনরুজ্জীবন প্যাকেজ অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ৪জি স্পেকট্রাম বরাদ্দ এবং স্বেচ্ছাবসর প্রকল্প।
কর্মী সংগঠনগুলির অভিযোগ, স্বেচ্ছাবসর প্রকল্প ছাড়া বিএসএনএলের পুনরুজ্জীবন রূপরেখার কোনও শর্ত পূরণ করছে না কর্তৃপক্ষ। ৭৮ হাজার ৫৬৯ জন কর্মচারীকে স্বেচ্ছাবসর দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পূর্ব ঘোষণা অনুসারে ৪জি স্পেকট্রাম বরাদ্দ এখনও হয়নি। সংস্থার তহবিলেরও সংগ্রহের জন্য কোনও পদক্ষেপ করছে না কেন্দ্রীয় সরকার। তাই আজ দেশজুড়ে অনশনে বসার ডাক দিয়েছেন অর্থাভাবে ধুঁকতে থাকা এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কর্মচারীরা। ফলে এদিন পরিষেবা বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck