সকাল থেকেই ফের তপ্ত হয়ে উঠল দিল্লি, বন্ধ করে দেওয়া হল স্কুল–কলেজ–মেট্রো স্টেশন, আতঙ্কের কাঁটা সর্বত্র

25th February 2020 ভারত
সকাল থেকেই ফের তপ্ত হয়ে উঠল দিল্লি, বন্ধ করে দেওয়া হল স্কুল–কলেজ–মেট্রো স্টেশন, আতঙ্কের কাঁটা সর্বত্র


গতকাল যেখানে হিংসা থেমেছিল আজ সেখান থেকেই ফের তা শুরু হল। মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির মৌজপুর। সেখানে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথরবৃষ্টি শুরু হয়েছে। মুখ ঢেকে পাথর ছুঁড়তে দেখা যায় কয়েকজনকে। আগুন লাগানো হয় দুটি গাড়িতে। অশান্তির আশঙ্কায় বন্ধ ৫টি মেট্রো স্টেশন। জাফরাবাদ, মৌজপুর–বাবারপুর, গোকুলপুরি, শিব বিহার এবং জোহরি এনক্লেভ মেট্রো স্টেশনের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেখানে কোনও ট্রেন দাঁড়াবে না বলেই খবর। ওই এলাকায় ১৪৪ ধারাও জারি করা হয়েছে। দিল্লির আরও ১০ জায়াগায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভারত সফরের প্রথম দিনে পাথরবৃষ্টি–গুলি, দোকানে–বাড়িতে আগুন—সব কিছুরই সাক্ষী থাকল রাজধানী দিল্লি। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলন ঘিরে অশান্তিকে কেন্দ্র করে এই প্রথম দিল্লিতে পাঁচজন প্রাণ হারালেন। মৌজপুরে পাথরের আঘাতে পুলিশের হেড কনস্টেবল রতন লালের মৃত্যু হয়। এর পর বিকেলে চাঁদবাগে ফুরকান আনসারি (৩২) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। রাতে গুরু তেগবাহাদুর হাসপাতালে মারা যান শাহিদ নামে এক যুবক। অজ্ঞাতপরিচয় আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। 
মঙ্গলবার পরিস্থিতি ঘোরালো হয়ে উঠছে এবং তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে ধরে নিয়ে পূর্ব ও উত্তর–পূর্ব দিল্লির সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। জাফরাবাদ, মৌজপুর–বাবরপুর তো বটেই, তার সঙ্গে আরও তিনটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck