দিল্লির সেই বিচারপতি মুরলীধরের বদলিতে মাঝরাতে সম্মতি রাষ্ট্রপতির

27th February 2020 ভারত
দিল্লির সেই বিচারপতি মুরলীধরের বদলিতে মাঝরাতে সম্মতি রাষ্ট্রপতির


দিল্লির হিংসা নিয়ে বুধবারই কেন্দ্র, দিল্লি সরকার ও পুলিশকে তুলোধনা করেছিলেন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি এস মুরলীধর৷ রাতারাতি তাঁকে বদলি করে দেওয়া হল পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে৷ দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতিদের র‌্যাঙ্কিংয়ে তিনি ছিলেন তৃতীয় সর্বোচ্চ বিচারপতি৷

বুধবার গভীর রাতে বিচারপতি এস মুরলীধরের বদলির নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্র৷ গত ১২ ফেব্রুয়ারিই তাঁকে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম বদলির জন্য প্রস্তাব দেয়৷ সরকারের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, 'সংবিধানের ২২২ নম্বর ধারার ১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দেশের প্রধানবিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি এস মুরলীধরকে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে বদলি করা হল৷'

বিচারপতি মুরলীধরের বদলির সিদ্ধান্তের গত সপ্তাহেই নিন্দা করে বার অ্যাসোসিয়েশন৷ সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম এই বদলির প্রস্তাব তুলে নিক বলেও দাবি করে বার অ্যাসোসিয়েশন৷

বুধবার দিল্লি হিংসা নিয়ে মামলার শুনানিতে বিচারপতি মুরলীধর বলেন, 'আরেকটা ১৯৮৪ হতে দেওয়া যাবে না৷' কেন্দ্র, দিল্লি সরকারকে একসঙ্গে মিলে দিল্লিতে শান্তি ফেরানোর নির্দেশ দেন তিনি৷ একই সঙ্গে ভরা এজলাসে বিজেপি নেতা কপিল মিশ্রর উস্কানিমূলক বক্তৃতার ভিডিও চালানোরও নির্দেশ দেন৷ দিল্লি পুলিশকে বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, বিজেপি নেতা অভয় ভার্মা ও প্রবেশ ভার্মার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করারও নির্দেশ দেন৷
বিচারপতির রাতারতি বদলি থেকে বোঝা যাচ্ছে হিংসার সঙ্গে মোদী সরকার প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত ।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck