দিল্লির দুর্গতদের পাশে সিদ্দিকুল্লারা

10th March 2020 ভারত
দিল্লির দুর্গতদের পাশে সিদ্দিকুল্লারা


দিল্লির হিংসা-বিধ্বস্ত এলাকায় ঘুরে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে এলেন রাজ্যের মন্ত্রী ও জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের রাজ্য সভাপতি সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে তাঁরও অভিযোগ, দিল্লিতে সাধারণ সংঘর্ষ নয়, গণহত্যা চালানো হয়েছে। নিরীহ মানুষের উপরে আক্রমণ হয়েছে নির্বিচারে। দুর্গতদের সাহায্যের জন্য ২১ সদস্যের ত্রাণ কমিটি ও ১১ সদস্যের আইনি সেল গঠন করেছে জমিয়তে।

জমিয়তের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মেহমুদ মাদানির সঙ্গে উত্তর-পূর্ব দিল্লির জাফরাবাদ, দয়ালপুর, আউলিয়া, গোকুলপুরী-সহ সংঘর্ষ-পীড়িত নানা এলাকা ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেছেন সিদ্দিকুল্লা। তাঁর বক্তব্য, ‘‘শান্তিপ্রিয় মানুষ যেখানে আক্রমণকারীদের সামনে সম্মিলিত ভাবে রুখে দাঁড়িয়েছেন, প্রতিরোধ হয়েছে, সেখানে ক্ষয়ক্ষতি তুলনায় কম। যেখানে মানুষ বাধা দেওয়ার সাহস পাননি, পালিয়ে গিয়েছেন, সেখানে তাণ্ডব আরও ভয়াবহ।’’ ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় ত্রাণ শিবির খুলেছে জমিয়তে। দুর্গতদের খাদ্য সামগ্রীর কিট ও অর্থ সাহায্যও দিয়েছেন সিদ্দিকুল্লারা। এ রাজ্যেও ত্রাণ সংগ্রহে নেমেছে জমিয়তে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck