করোনায় মৃতদের পরিবারকে চার লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে না মোদি সরকার

15th March 2020 ভারত
করোনায় মৃতদের পরিবারকে চার লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে না মোদি সরকার


মহান ঘোষণা তারপর সেখান থেকে আবার ফিরে আসা। করোনায় মৃতদের আত্মীয়কে ৪ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নরেন্দ্র মোদি সরকার ঘোষণা করেছিল। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। ঘোষণায় বলা হয়েছিল, করোনাকে অবহিত বিপর্যয়। সংশ্লিষ্ট রোগে মৃতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফান্ড বা রাজ্য দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া তহবিল থেকেই এই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলা হয়। এমনকী যাঁরা করোনার চিকিৎসা কিংবা উদ্ধারকাজে যুক্ত, তাঁদের মৃত্যুতেও আর্থিক সাহায্যের কথা বলা হয়েছিল। ফলে এটা মহান ঘোষণা। 
কেন্দ্রের সর্বশেষ ঘোষণায় ক্ষতিপূরণের ওই কথা রাখা হয়নি বলে সূত্রের খবর। এমনকী পূর্বের ঘোষণায় কোভিড–১৯ পজিটিভ ব্যক্তিদের হাসপাতালে ভর্তি–সহ চিকিত্‍‌সায় সহযোগিতার উল্লেখ থাকলেও ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের উল্লেখ নেই। আবার করোনার চিকিত্‍‌সা খরচও কেন্দ্র আর দেবে না। কেন আর্থিক ক্ষতিপূরণের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে তাও বলা হয়নি। সুতরাং মহান ঘোষণা করেও ব্যাক গিয়ার দিল কেন্দ্র।  
করোনায় এখনও পর্যন্ত গোটা ভারতে ১০০ জন আক্রান্ত হলেও মৃত্যু হয়েছে দু’‌জনের। একজন কর্নাটকে, অপরজন দিল্লিতে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সূত্রে খবর, করোনা ভাইরাসের এখনও কোনও ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক নেই। স্পেশাল অ্যান্টি–ভাইরাল চিকিত্‍‌সারও ব্যবস্থা নেই। সাপোর্টিভ কেয়ারেই বেশিরভাগ আক্রান্ত সুস্থ হয়ে উঠছেন।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck