সাংসদ পদে শপথ নিলেন প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জন গগৈ

19th March 2020 ভারত
 সাংসদ পদে শপথ নিলেন প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জন গগৈ


TARIF TV: রাজ্যসভার সাংসদ পদে শপথ নিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ (Ranjan Gogoi)। à¦¬à¦¿à¦¤à¦°à§à¦• এবং বিরোধীদের প্রবল প্রতিবাদের মধ্যেই বৃহস্পতিবার শপথবাক্য পাঠ করেন তিনি।

এদিন রঞ্জন গগৈকে সাংসদ করার প্রতিবাদে রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন কংগ্রেস ও বহুজন সমাজ পার্টির সাংসদরা। à¦¸à¦®à¦¾à¦²à§‹à¦šà¦¨à¦¾à§Ÿ সরব হয়ে ওঠেন উচ্চকক্ষের ডিএমকে, এমডিএমকে ও বাম সদস্যরা। à¦—ত সোমবার রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ তাঁকে রাজ্যসভায় মনোনীত করেন। অবসরের আগে অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দির গড়ার নির্দেশ সম্বলিত ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন বিচারপতি গগৈ।

২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নেন গগৈ। à¦¤à¦¾à¦°à¦ªà¦°à¦‡ তাঁর রাজনীতিতে আসা নিয়ে জল্পনা ছিল। à¦¤à¦¾à¦à¦° সংসদে মনোনীত হওয়া নিয়ে জোর বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। গগৈয়ের মনোনয়ন নিয়ে প্রশ্ন ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁরই এককালের সতীর্থ মদন লোকুর(Madan Lokur)। বিরোধীদের অভিযোগ, বিচারপতি থাকাকালীন সরকারকে সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন গগৈ(Ranjan Gogoi)। আর এখন তারই পুরস্কার পাচ্ছেন। মদন লোকুর সরাসরি সেকথা না বললেও, তাঁর ইঙ্গিতও খানিকটা তেমনই।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck