করোনা আক্রান্ত গায়িকা কনিকার ভয়ে বিজেপি নেতারা ঘরবন্দি

21st March 2020 ভারত
করোনা আক্রান্ত গায়িকা কনিকার ভয়ে বিজেপি নেতারা ঘরবন্দি


৯ মার্চ লন্ডনের বাড়ি থেকে লখনউতে আসেন গায়িকা কণিকা কাপুর। কিছু ব্যক্তিগত কাজ ছিল তঁার। থেকেছেন লখনউয়ের মহানগর এলাকায় তাঁদের পুরনো ফ্ল্যাটে। এরপর লখনউ শহরে পরপর তিনটি পার্টিতে হাজির হন তিনি। যেখানে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রাক্তন বিচারপতি, বড় আমলা–সহ একাধিক হাই প্রোফাইল ভিআইপি আমন্ত্রিত ছিলেন। সেখানে তিনি দুটি হাই প্রোফাইল পার্টিতে যান। একটিতে হাজির ছিলেন রাজস্থানের ঝালওয়ারের বিজেপি সাংসদ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজের পুত্র দুষ্মন্ত সিং। কণিকা কাপুর শরীরে ইনফ্লুয়েঞ্জার উপসর্গ বুঝতে পেরে পরীক্ষা করান এবং জানতে পারেন, তিনি কোভিড ১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত। তিনি চলে যান স্বেচ্ছা কোয়ারেন্টিনে। শুক্রবার নিজেই ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে সেই খবর দিয়ে লিখেছেন, ‘‌গত চার দিন ধরে ফ্লু–‌এর উপসর্গ দেখতে পাচ্ছিলাম। এর পর আমি পরীক্ষা করাই। দেখা যায় আমার শরীরে পজিটিভ কোভিড ১৯ আছে। আমি এবং আমার পরিবার এখন সম্পূর্ণ কোয়ারেন্টিনে রয়েছি।’‌
কিন্তু ততক্ষণে দুষ্মন্ত সর্বত্র ঘুরে বেড়িয়েছেন। পার্টির পরের দিনই জাতীয় সংসদের অধিবেশনে হাজির হন। ১৮ মার্চ গিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি ভবনেও। প্রাতঃরাশ সারেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে। সেখানে ছিলেন রাজ্যভিত্তিক সাংসদদলও। তোলা হয় গ্রুপ ছবি। স্বাভাবিক ভাবেই এই সময়ে দুষ্মন্তের সংস্পর্শে এসেছেন বহু সাংসদ, সাংবাদিক এবং সংসদ ও রাষ্ট্রপতি ভবনের বহু কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষী। যঁারা তাঁর পাশে বসেছিলেন, বা কাছাকাছি এসেছিলেন, তঁারা একের পর এক এবার কোয়ারেন্টিনে চলে যাচ্ছেন।  সংসদের প্রধান হলঘরে দুষ্মন্তের পাশে বসে থাকতে দেখা গেছে দুই বিজেপি সাংসদ সুরেন্দ্র নাগর নিশিকান্ত এবং মনোজ তিওয়ারিকে।

লখনউয়ের মহানগর এলাকার যে আবাসনে কণিকা থাকেন তার আরেক বাসিন্দার কোভিড ১৯ পজিটিভ পাওয়া গেছে বলে বিশেষ  সূত্রে জানা গেছে।‌‌





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck